রিদয় ভাইয়ের জীবনের মোড় ঘুরে যাওয়ার গল্প

সিঙ্গাপুরের কাজের প্রয়োজনে আসার পর থেকেই রিদয় ভাইয়ের বিভিন্ন সংগঠনের সাথে চলাফেরা। ভলান্টিয়ার হিসেবে প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন ইভেন্টে উনি কাজ করেছেন। প্রবাসীদের চাওয়া-পাওয়া, দুঃখ-কষ্ট নিয়ে সবসময়েই উনি একটি সোচ্চার কণ্ঠ।
যখন উনি দেখেন যে বাংলাদেশী একটি প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি প্রবাসীদের নিয়েই কাজ করছে, তখন হোমটাউন এবং উনার নিজস্ব চিন্তাধারার একটি মিলন ঘটে। এরপর থেকেই উনি হোমটাউনের গ্রাহক হিসেবে নিয়মিত হন। এরপরে বিভিন্ন সময়ে উনি নিজে আমাদের হটলাইনে যোগাযোগ করে, প্রবাসীদের হয়ে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা আনার কথাও বলেছেন।
কিন্তু কয়েকদিন আগে রিদয় ভাইয়ের জীবনে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় তার পুরো পরিবার হাসপাতালে ভর্তি হয়। ইমারজেন্সি চিকিৎসার জন্য দরকার হয় বেশ কিছু টাকার। এই গুরুতর ও সংকটময় সময়ে রিদয় ভাই বেছে নেয় হোমটাউন কে। কেনো প্রশ্ন করায় উনি বলেন যে, তার বিশ্বাস ছিলো হোমটাউনের প্রতি, কারণ এর আগেও এরকম ঘটনায় সাথে ছিলো হোমটাউন।
এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে রিদয় ভাই আশেপাশের প্রবাসী ভাইদের জন্য ইমারজেন্সি টিকেটেরও ব্যবস্থাও করে দিয়েছেন হোমটাউনের মাধ্যমে। যেমন গত সপ্তাহেই এক ভাইয়ের বাবা মারা যায়। বাবার দাফনে অংশ নেয়ার জন্য প্রয়োজন হয় কিছুক্ষণ পরেরই ফ্লাইট টিকেট। হোমটাউনে যোগাযোগ করে রিদয় ভাই, ওই ভাইটিকে টিকেট দিতে পারে।
বিভিন্ন ইভেন্টে কাজ করায় রিদয় ভাইয়ের সম্পর্ক অনেক প্রবাসী ভাইদের সাথে, তাই বিভিন্ন প্রয়োজনে যোগাযোগ করলে রিদয় ভাইও নির্দ্বিধায় হোমটাউনের কথা উনাদের বলে দেয় কারণ উনার মতে, এই বিশ্বাসটা হোমটাউন নিয়ে নিতে পেরেছে এতদিনে।

