সাইফুল ভাই সিঙ্গাপুরে সেফটি সুপারভাইজর হিসেবে কাজ করেন। কাজের কারণেই হোক অথবা অভিজ্ঞতার কারণেই হোক, নিরাপত্তার ব্যাপারে উনি সবসময় সজাগ। অনেক যাচাই বাছাইয়ের পর উনি যখন দেখেন যে, একটি অ্যাপ যা বাংলাদেশী প্রবাসীদের জন্যই কাজ করছে, উনি বেশ খুশি হন।

এরপর থেকে উনি নিয়মিত দেশে হোমটাউনের মাধ্যমেই টাকা পাঠান এবং উনার কর্মস্থলে যেইসব বাংলাদেশী ভাইরা কাজ করেন তাদেরও উৎসাহ দেন হোমটাউন ব্যবহার করে টাকা পাঠানোর জন্য। উনার মতে এখন নাকি শতকরা ৯০ ভাগ বাংলাদেশীরাই এখন হোমটাউন ব্যবহার করেন উনার কাজের জায়গায়।

হোমটাউন নিয়ে কোনো গল্প জানতে চাওয়ায় উনি খুব সুন্দর একটি ঘটনা বলেন। বেশ কয়েক বছর ধরেই উনার দেশে একটি জমি কেনার কথা চলছিল, কিন্তু মালিকানা হস্তান্তর সম্পর্কিত ঝামেলার কারণে সেটা হয়ে উঠছিলো না। হঠাৎ একদিন খবর আসে যে, বায়না বাবদ ৫ লক্ষ্য টাকা দিতে হবে জমিটির জন্য, তাও আধা ঘন্টার মধ্যে।

অনেক কিছু চিন্তা করে উনি হোমটাউন দিয়ে টাকা পাঠিয়ে দেয়। ১৫ মিনিটের মধ্যে টাকাটা চলে যায়, আর তখন সাইফুল ভাই তার বহুল প্রতীক্ষিত জমিটি নেয়ার কাজ শুরু করতে পারে।

আমি এই একটা ঘটনার জন্য হোমটাউনের প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো।

— সাইফুল ভাই